ব্যক্তিত্ব মহৎ গুণ
ব্যক্তিত্ব নিয়ে অনেকের নানাবিধ প্রশ্ন থাকে। অনেকে বলেন,এটা একটি মহৎ গুণ। ব্যক্তিত্ব থাকা মানুষেরা অশালীন কথাবার্তা বলতে পারেন না। এই বলাটা তাঁদের বিবেকে বাধে। আপনি কারও মন্দ কথার জবাব মন্দভাবে দিতে পারবেন না। ব্যক্তিত্ববোধ সম্পন্ন মানুষরা কারও ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ বা নাক গলাতে যান না। তবে এখন অনেক সময় বদলেছে। মানুষের জীবনে চাওয়া-পাওয়ার বিষয়টা জোরালো হয়েছে। সমাজের এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের মনোভাবেরও বদল এসেছে। আর্থিক ও সামাজিক কারণে সমাজের একটা অংশে মানুষের রুচি ও আচরণে পরিবর্তন ঘটছে। তবে ব্যক্তিত্ব থাকা মানুষরা মজার ছলেও অভদ্রতা প্রকাশ করতে পারেন না।
ব্যক্তিত্ব মানুষকে অন্য সকলের থেকে আলাদা করে দেয়। নীতি-নৈতিকতা, শিষ্টাচার ও মূল্যবোধ প্রকাশ পেয়ে থাকে ব্যক্তিত্ব থাকা মানুষদের। এই গুণটির জন্য বিদ্রুপ-ব্যঙ্গ করা যায় না।ব্যক্তিত্ব গঠন করা সবার পক্ষে সম্ভবও নয়। মানুষের জীবনে এই কাজটা খুবই কঠিন। যা সবার দ্বারা সম্ভব হয় না। সবাই যে ব্যক্তিত্ববান হতে পারেন এমন নয়। সব ধরনের মানুষের সাথে মিশে একজন মানুষ তাঁর আচার-আচরণে ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ হয়ে উঠেন। ব্যক্তিত্ব মহৎ গুণ তা জেনে-শুনেই অনেক মানুষ সেই সৌজন্য মানেন না।

